Get In Touch
Address: R#6, H#3, Block#D,
Section -12, Mirpur Dhaka
01923 100 400
Mohammadpur , Dhaka, Bangladesh
09:00 am
DHAKA
রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সাত গম্বুজ মসজিদ (Sat Gambuj Mosque) মুঘল শাসনামলে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। মসজিদের ছাদে বড় ৩টি এবং চার কোণে অবস্থিত ৪টি মিনারের উপর অনুগম্বুজ সহ মোট সাতটি গম্বুজের কারণে মসজিদটি সহজেই সাত গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে। মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর পুত্র উমিদ খাঁ ১৬৮০ সালে এই সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন। সাত গম্বুজ মসজিদের সাথে লালবাগ দুর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদের অনেক মিল লক্ষ করা যায়।
আয়তাকার সাত গম্বুজ মসজিদের নামাজ কোঠার বাইরের দিকের দৈর্ঘ্য ১৭.৬৮ এবং প্রস্থ ৮.২৩ মিটার। পশ্চিম দিকের দেয়ালে তিনটি মিহরাব এবং পূর্ব দিকে ভাঁজবিশিষ্ট তিনটি খিলানের জন্য মসজিদটিকে আরো আকর্ষণীয় মনে হয়। সাত গম্বুজ মসজিদের পূর্বে একটি সমাধি রয়েছে। ভেতর থেকে অষ্টকোণ এবং বাইরের দিকে চতুষ্কোণ বিশিষ্ট সমাধিটিকে অনেকে শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি হিসাবে মনে করেন। বিবির মাজার খ্যাত সমাধিক্ষেত্রটি এক সময় পরিত্যক্ত থাকলেও বর্তমানে এর সংস্কার করা হয়েছে।এছাড়া মসজিদের কাছেই আছে একটি উদ্যান এবং জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা। এক কালে বুড়িগঙ্গা নদীর ধারা সাত গম্বুজ মসজিদের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বর্তমানে চারপাশে বেশকিছু ছোট বড় দালানকোঠা নির্মিত হয়েছে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
গম্বুজ সংখ্যা: ৭টি
নির্মাণকাল: ১৬৮০
স্থাপত্য: মোগল স্থাপত্যশৈলী
অবস্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
কীভাবে যাবেন:
গুলিস্তান / মতিঝীল / কেন্দ্রীয় ঢাকা থেকে: রিকশা বা রাইড-শেয়ার করে মোহাম্মদপুর আসুন, তারপর স্থানীয় রিকশা (৫-১০ মিনিট) নিয়ে মসজিদে চলে যান।
উত্তরা / বিমানবন্দর এলাকা থেকে: মিরপুর-এয়ারপোর্ট রোড দিয়ে মোহাম্মদপুর আসুন। বাস (যেমন #৬) বা রাইড-শেয়ার নিয়ে মোহাম্মদপুরে যান, তারপর রিকশা নিয়ে মসজিদে পৌঁছান।
পাবলিক ট্রান্সপোর্ট:
বাস রুট: মোহাম্মদপুর, শ্যামলী বা গাবতলী যাওয়ার বাস
রিকশা: মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে (১০-১৫ মিনিট)
ভ্রমণের সময়:
খোলা: দিনের আলোতে, সেরা সময় ৯ AM - ৫ PM
শুক্রবার: জামাতের নামাজের কারণে ভিড় থাকে
প্রবেশ ফি:
বিনামূল্যে: তবে মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দান গ্রহণ করা হয়
ভ্রমণ টিপস:
এটি মসজিদ বিধায় মুসলিম পোশাক বা শালীন পোশাক পরিধান করুন।
ছবি তোলা সাধারণত অনুমোদিত।
নামাজের সময় ভদ্রতা ও শিস্টাচার বজায় রাখুন।
সকাল বেলা আসলে ভিড় কম পাওয়া যায় এবং সূর্যের তাপও কম থাকে।
মসজিদের কাছে বুরিগঙ্গা নদীর পাড় রয়েছে, সেখানে গিয়ে একটূ সময় কাটানো যায়।